"রিভিশন এতো ভারী লাগতো যে এড়িয়ে যেতাম। ফ্ল্যাশ কুইজ চায়ের সময়ে হয়ে যায়। এই টার্মের সাপ্তাহিক পরীক্ষা জীবনের সেরা।"
HSC-তে A+ আনো,একটা কুইজ ধরে।
চায়ের ব্রেকে যেটুকু সময়, সেইটুকু পড়া। নিজের বোর্ডের প্রশ্ন থেকে ১০টা MCQ, প্রতিটার পরেই ব্যাখ্যা — যেই অধ্যায়গুলো এড়িয়ে যেতে, দু-সপ্তাহে চেনা হয়ে যাবে।
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
HSC · বাংলা ২য়
- করাজনীতি
- খরাজনিতী
- গরাজনীতী
- ঘরাজনিতি
সব বোর্ডের শিক্ষার্থীরা এখন এতে আছে
কেন শিক্ষার্থীরা থাকে
তুমি যেভাবে পড়ো, ঠিক সেইভাবেই বানানো।
প্রতিটা ফিচার এসেছে আসল শিক্ষার্থীর মেসেজ থেকে। কোনো ফিলার নেই।
ফ্ল্যাশ কুইজ
১০টা প্রশ্ন, প্রতিটায় ৬০ সেকেন্ড। চায়ের ব্রেকেই হয়ে যায়, এক এপিসোডেও না।
সব বোর্ড, সব বছর
সব সাধারণ বোর্ডের MCQ + CQ, অধ্যায় আর সাল ধরে সাজানো। কঠিনগুলো আলাদা মার্ক করা।
ভুল → বুঝে নাও
ভুল উত্তরে ট্যাপ করো — ধাপে ধাপে সমাধান চলে আসে। সরল ভাষায়, জার্গন ছাড়া।
যে সংখ্যাগুলো আসলেই কিছু বলে
সবচেয়ে দুর্বল অধ্যায়, সবচেয়ে শক্ত হাত, চলতি স্ট্রিক, যে GPA-র দিকে যাচ্ছ — প্রতি কুইজে আপডেট।
কঠিনগুলো রেখে দাও
যেগুলো আবার দেখা দরকার, বুকমার্ক করো। ছোট নোট লেখো। আগের রাতে এক ট্যাপে সব হাজির।
বাসে, ট্রেনে, গ্রামে গিয়েও
একবার কুইজ প্যাক ডাউনলোড করো, ইন্টারনেট ছাড়াই চলবে — স্ট্রিক ভাঙবে না।
যেভাবে কাজ করে
প্রথম কুইজ পর্যন্ত — তিনটা ধাপ।
ইনস্টল করো
Google Play বা App Store থেকে নাও। সাইন-আপ এক মিনিটে — কার্ড লাগে না।
তোমার গ্রুপ বাছো
বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, না মানবিক — তারপর অধ্যায়, তারপর কতটা কঠিন চাও। কুইজ আমরাই সাজাই।
দিনে ১০ মিনিট কুইজ দাও
শুধু ১০ মিনিট। ড্যাশবোর্ড দেখাবে কোন অধ্যায়টা পরে ধরতে হবে — আর আন্দাজে পড়তে হবে না।
অ্যাপের ভিতরে
দেখতে কুইজ অ্যাপ। কাজ করে টেক্সটবুকের মতো।
বড় বাটন, পরিষ্কার লেখা, সাথে সাথেই ফিডব্যাক। প্রতিটা পিক্সেলের কাজ আছে।
তোমার দুর্বল অধ্যায় ধরেই রোজকার লাইন-আপ।
গত সপ্তাহের কুইজ দেখে ঠিক সেই অধ্যায়গুলো সাজানো হয় — যেগুলোয় তুমি দুর্বল। র্যান্ডম না, একই ড্রিল দু'বারও না।
আজকের প্ল্যান
৪টি ছোট সেশন · ৪৫ মিনিট
ভুল উত্তরে ট্যাপ করো — সমাধান সাথে সাথেই।
ব্যাখ্যাগুলো লেখা হয়েছে রাত ১১টার ক্লান্ত শিক্ষার্থীর জন্য — পরিষ্কার বাক্য, আসল ধাপ, জার্গন ছাড়া। অ্যাপ বন্ধ করার আগেই বুঝে যাবে।
ব্যাখ্যা
একটি বল 20 m/s বেগে নিক্ষিপ্ত। সর্বোচ্চ উচ্চতায় কত সময়?
পরের ঘণ্টাটা কোথায় খরচ করবে — পরিষ্কার দেখো।
বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা, অধ্যায়ের হিট-ম্যাপ, চলতি স্ট্রিক, প্রত্যাশিত GPA — এক স্ক্রিনে। কোচ এখন তোমার ফোনেই।
GPA প্রজেকশন
সংখ্যায় প্রত্যয়
অ্যাপে এক বছর।
১২ মাসের কুইজ, স্ট্রিক, আর মাঝে মাঝে A+ পেয়ে চিৎকার।
আমাদের লক্ষ্য
A+ পাওয়া তোমার ঠিকানার উপর নির্ভর করা উচিত না।
ভালো কোচিং, কাজের প্রশ্নব্যাংক, নিজের লেখায় আসল ফিডব্যাক — এসবের জন্য এতদিন শহরের ঠিকানা আর প্রাইভেট টিউটর লাগতো। প্রত্যয় বানিয়েছি যাতে এখন আর না লাগে। একটা কুইজে, একটা স্ট্রিকে, একজন শিক্ষার্থী ধরে।
যেখানে দরকার, সেখানে ফ্রি
কুইজ ব্যাংক, ব্যাখ্যা, ড্যাশবোর্ড — সব ফ্রি, সবসময়। প্রিমিয়াম ঐচ্ছিক, শুধু এক্সট্রা যোগ করে।
শিক্ষকদের যাচাই করা
বোর্ড-প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রতিটি প্রশ্ন আর ব্যাখ্যা যাচাই করেন। ভুল দেখলে ফ্ল্যাগ করো — একদিনের মধ্যে ঠিক করি।
শিক্ষার্থীদের ভিতরে থেকেই তৈরি
প্রতিটা ফিচার এসেছে কোনো শিক্ষার্থীর মেসেজ থেকে। যেটা কাজে আসে রাখি, যেটা না বাদ দিই।
শিক্ষার্থীদের গল্প
শিক্ষার্থীরা আসলে যা বলে।
হ্যাঁ। শিক্ষার্থীরা যা বেশি ব্যবহার করে — কুইজ, ব্যাখ্যা, ড্যাশবোর্ড — সব ফ্রি, সবসময়। ঐচ্ছিক একটা প্রিমিয়াম প্যাক আছে; ঐটা থেকে অ্যাপ চলে।
HSC — দুই বছরই। বাংলাদেশের ৯টা সাধারণ বোর্ড: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, কুমিল্লা, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ। মাদ্রাসা বোর্ডের কাজ চলছে।
চলবে। প্রতিটা রিলিজের আগে এন্ট্রি-লেভেল অ্যান্ড্রয়েডে টেস্ট করি। ইনস্টল প্রায় ২৫ MB। ডাউনলোড করার পর বেশিরভাগ কুইজ অফলাইনেই চলে।
গত ৫ বছরের বোর্ড প্রশ্ন, বড় কলেজগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক প্রশ্নব্যাংক, আর আমাদের সম্পাদকীয় টিমের লেখা কিছু প্রশ্ন। প্রতিটাই বোর্ড-প্রশিক্ষিত শিক্ষক যাচাই করেন।
তোমার প্রগ্রেস আর কুইজ পার্সোনালাইজেশনের জন্য যতটুকু দরকার — ততটুকুই নিই। ডেটা বিক্রি না, বিজ্ঞাপন না, জাঙ্ক ইমেইল না। কথা দিচ্ছি।
প্রশ্নে ফ্ল্যাগ আইকনে ট্যাপ করো, কী সমস্যা লিখে দাও। প্রতিদিন রিপোর্ট দেখি — সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঠিক হয়ে যায়।
এক সপ্তাহ চেষ্টা করে দেখো।
ইনস্টল করো, তোমার গ্রুপ সেট করো, দিনে একটা ফ্ল্যাশ কুইজ দাও। রোববার এসে যদি কিছুই বদলায়নি মনে হয়, আনইনস্টল করো — আর আমাদের জানাও কোথায় ভুল ছিল।
যোগাযোগ
প্রত্যয়ের সাথে সরাসরি কথা বলো।
প্রশ্ন, পার্টনারশিপ আইডিয়া, বাগ, রাগ ঝাড়ার মেসেজ — প্রতিটাই আমরা পড়ি।